• বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:৫১ অপরাহ্ন
  • English English French French German German
ব্রেকিং নিউজ
কুড়িগ্রামের রাস্তায় ছুটে চলেছে আইপিডিসি ‘ভালো বাসা’র গাড়ি গাইবান্ধার রাস্তায় ছুটে চলেছে আইপিডিসি ‘ভালো বাসা’র গাড়ি শিশুদের নিরাপদ যত্ন নিশ্চিতে প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি ও নাবিলা’র আহ্বান বাংলাদেশের বাজারে টেকনো’র নতুন চমক স্পার্ক ৮ প্রো দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে মাসুদ আলম সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মওদুদ নির্বাচিত ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি সীমান্তে ৮ মাসে প্রায় ৬ কোটি টাকার মাদকসহ বিভিন্ন মালামাল আটক প্যারাসুট নারিকেল তেল-এর নতুন উৎসব প্যাক বাংলাদেশে ৩ জিবি’র স্পার্ক সেভেন স্মার্টফোন নিয়ে এলো টেকনো টেকনো ক্যামন ১৭ সিরিজ এখন দেশের সকল আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে বাজারে নিজেদের অবস্থানের সাথে মিল রেখে টেকনো’র নতুন স্লোগান – “স্টপ অ্যাট নাথিং”

দিনাজপুরে মা ও ছেলেকে অপহরণ মামলায় সিআইডির এএসপিসহ ৫ জন কারাগারে

Reporter Name / ৭০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বুধবার, ২৫ আগস্ট, ২০২১

মোঃ মোস্তফা কামাল আপন ব্যুরো প্রধান রংপুর ডিভিশন

দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে মা ও ছেলেকে অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টার ঘটনায় পুলিশ সিআইডির একজন এএসপি ও সিআইডির অপর ২ জন সদস্যসহ ৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বুধবার বিকালে তাদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে অপহৃত জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে বুধবার চিরিরবন্দর থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ এ মামলায় ৫ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে বিকালে আদালতে সোপর্দ করেছেন। ৫ আসামির মধ্যে আদালত একজনের ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নিয়ে ৫ জনকেই কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন- রংপুর সিআইডির এএসপি সারোয়ার কবীর, এএসআই হাসিনুর রহমান, কনস্টেবল আহসানুল হক ফারুক ও মাইক্রোবাস চালক হাবিব। পরে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ফসিউল আলম পলাশ নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
অপহরণ কারীরা হলেন- দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার লুৎফর রহমানের স্ত্রী জহুরা খাতুন (৪২) ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর (২৫)।

জাহাঙ্গীরের খালাতো ভাই শামসুল ইসলাম মানিক জানান, সোমবার রাত ৮টায় একটি মাইক্রোবাস যোগে তার খালু লুৎফর রহমানের বাড়িতে যায় একদল মানুষ। এসময় তারা সিআইডির পরিচয়ে লুৎফর রহমানকে খুঁজতে থাকে। লুৎফর রহমানকে না পেয়ে লুৎফর রহমানের স্ত্রী জহুরা খাতুন ও তার ছেলে জাহাঙ্গীরকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় তারা।

পরের দিন মঙ্গলবার সকালে মা ও ছেলেকে ছেড়ে দেয়ার জন্য জাহাঙ্গীরের ফোন থেকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে প্রথমে ৫০ লাখ টাকা চাওয়া হয়। পরে ২০ এবং সর্বশেষ ৮ লাখ টাকা দাবি করা হয়।

জাহাঙ্গীরের পরিবারের লোকজন বিষয়টি চিরিরবন্দর থানায় জানায়। মঙ্গলবার দাবিকৃত টাকা নিয়ে জাহাঙ্গীরের স্বজনদের নিয়ে চিরিরবন্দর থানার এসআই তাজুল ইসলামসহ কয়েকজন ঠিকানা অনুযায়ী রানীরবন্দর এলাকায় যান।

সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা থাকার পর তাদের বলা হয়, কাহারোল উপজেলার দশমাইল এলাকায় তেলের পাম্পের কাছে যেতে। এভাবে কয়েকবার জায়গা বদল করে তাদের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বাঁশেরহাট এলাকায় যেতে বলেন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে। কিন্তু সেখানে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দশমাইলের দিকে রওনা দেন। দশমাইলে রাস্তায় জ‍্যাম হয়ায় জনগণই ধরে পুলিশের হাতে তুলে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ