• বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০২:০২ অপরাহ্ন
  • English English French French German German
ব্রেকিং নিউজ
কুড়িগ্রামের রাস্তায় ছুটে চলেছে আইপিডিসি ‘ভালো বাসা’র গাড়ি গাইবান্ধার রাস্তায় ছুটে চলেছে আইপিডিসি ‘ভালো বাসা’র গাড়ি শিশুদের নিরাপদ যত্ন নিশ্চিতে প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি ও নাবিলা’র আহ্বান বাংলাদেশের বাজারে টেকনো’র নতুন চমক স্পার্ক ৮ প্রো দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে মাসুদ আলম সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মওদুদ নির্বাচিত ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি সীমান্তে ৮ মাসে প্রায় ৬ কোটি টাকার মাদকসহ বিভিন্ন মালামাল আটক প্যারাসুট নারিকেল তেল-এর নতুন উৎসব প্যাক বাংলাদেশে ৩ জিবি’র স্পার্ক সেভেন স্মার্টফোন নিয়ে এলো টেকনো টেকনো ক্যামন ১৭ সিরিজ এখন দেশের সকল আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে বাজারে নিজেদের অবস্থানের সাথে মিল রেখে টেকনো’র নতুন স্লোগান – “স্টপ অ্যাট নাথিং”

হ্নীলায় আশ্রয়কেন্দ্র থেকে পানিবন্দি আশ্রিত লোকদেরকে বের করে দিলেন প্রধান শিক্ষক

Reporter Name / ৪০ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

ওসমান আল হুমাম কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।

টেকনাফ উপজেলার আওতাধীন হ্নীলা ইউনিয়নের অন্তর্গত হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে আশ্রয় নেওয়া লোকদের বের করে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

অভিযুক্ত তিনি মৌলভীবাজারের বাসিন্দা শিক্ষক শমশুদ্দীন। জানা যায়, আজ বিকেল ১টায় একটানা অতিবৃষ্টি হলে প্রশাসনের মাইকিং শুনে বাড়ীতে পানি উঠা লোকজন হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আশ্রয় নেওয়ার জন্য ছুটে চলে আসে।

হঠাৎ কিছু বুঝে উঠতে না উঠতেই ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বারবার স্কুল ত্যাগ করে চলে যাওয়ার জন্য বলে। পরে অসহায় লোকজন চলে যায়। এ ব্যাপারে অসহায় লোকজন প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছে।

ভুক্তভোগী মোঃ শফি ও আছিয়া খাতুন বলেন, আমরা বৃষ্টি বেশী হওয়ায় নিরাপত্তার জন্য পরিবারসহ মিলে এই বিদ্যালয়ে আশ্রয় নিতে চলে আসছিলাম। কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমাদেরকে থাকতে দিলেননা। অভিযুক্ত হ্নীলা বার্মিজ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শমশুদ্দীন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে বললাম কয়েকদিন মানুষ আশ্রয় নেওয়াতে স্কুল একটু অপরিস্কার রয়েছে তাই আপনারা বাসায় গিয়ে মালামাল রেখে আসেন। এছাড়া যাদের ঘর একটু শুকনা আছে ওনারা চলে যান বললেন বলে তিনি জানান।

অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাশেদ মাহমুদ আলী প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনাটি সত্য। তবে পানিবন্দী হওয়ার কারণে আশ্রয় নেওয়া লোকদেরকে চলে যেতে বলে ওনি বিরাট অন্যায় করেছে।
পরে আমি গিয়ে তালা খুলে দিয়ে কয়েকটি পরিবারকে ওখানে স্থান করে দিয়েছি।বর্তমানে সেইখানে কয়েকটি পরিবার আছে।

বিষয়টি নিয়ে এলাকায় সচেতন সমাজের কাছে নানান প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ