• শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
  • English English French French German German
ব্রেকিং নিউজ
বগুড়ায় ১ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাট আসিক গ্রেফতার! নিরাপদ সড়ক চাই ,ফুলবাড়ী উপজেলা শাখার উদ্যোগে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে পার্বতীপুরে জাগো রংপুরের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত মানব নতুন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠান। আপন এক্সপ্রেস কুরিয়ার এন্ড পার্সেল সার্ভিস লিঃ এর প্রধান কার্যালয়ের ফিতা কেটে উদ্বোধন করলেন ডঃ মির্জা জলিল ছেলে ‘হত্যা’র বিচারের দাবিতে বাবার সংবাদ সম্মেলন জীবনের শেষ সময় পর্যন্ত সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে থাকব ————‘লৌহমানব’ মোহাম্মদ আলী চৌধুরী লালমনিরহাটে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে লাখ টাকা জরিমানা বিএমএসএফ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা, থানায় অভিযোগ, ৭ নেতাকর্মীকে অব্যাহতি টেকনো স্পার্ক ৮ প্রো’র ৪ জিবি ভার্সন এখন বাংলাদেশে

কুষ্টিয়ায় সন্তান প্রসবের ২৬ ঘণ্টা পর করোনায় মারা গেলেন স্কুল শিক্ষিকা

Reporter Name / ৯৬ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

সুমাইয়া আক্তার শিখা স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুষ্টিয়া করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রহিমা খাতুন (৩২) নামে প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। এর আগে তিনি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় মৃত ছেলেসন্তান প্রসব করেন। বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) রাত ১০টার দিকে মৃত সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় তাঁর।

এদিকে শুক্রবার (৩০ জুলাই) দুপুরে করোনাভাইরাসে রহিমার মৃত্যু হয়। রহিমা খাতুন কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার সদরপুর ইউনিয়নের আজমপুর এলাকার আশরাফুল আলমের স্ত্রী। তিনি হালসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা ছিলেন।হাসপাতাল ও আত্মীয়স্বজন সূত্রে জানা যায়, স্কুলশিক্ষিকা রহিমার শরীরে জ্বরসহ করোনার কিছু উপসর্গ দেখা দেয় ২০ জুলাই। তাকে করোনা হাসপাতালে আনা হয় ২৩ জুলাই। নমুনা দেওয়ার পর পজিটিভ শনাক্ত হলে তাকে দ্রুত ওয়ার্ডে ভর্তি করে অক্সিজেন দেওয়া হয়। ২৬ ঘণ্টার ব্যবধানে শিশু ও মায়ের মৃত্যু হয়েছে।

রহিমার স্বামী আশরাফুল আলম জানান,বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে হঠাৎ রহিমা খাতুন পেটে ব্যথা অনুভব করেন। তাৎক্ষণিকভাবে নার্স ও আয়ারা ওয়ার্ডের ভেতরে বাচ্চা প্রসব করানোর চেষ্টা করেন। কয়েক মিনিটের মধ্যে মৃত ছেলেসন্তান প্রসব করেন রহিমা। এর পর শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে রহিমার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক তানমিনা তাবাসসুম বলেন, বৃহস্পতিবার রহিমার শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা ৫৫-৬০ ওঠানামা করছিল। কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ও হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলায় অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছিল তাকে। চেষ্টা করেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শুক্রবার দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের মেডিসিন বিশেষজ্ঞ আক্রামুজ্জামান মিন্টু জানান, করোনায় আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বাদের চিকিৎসা দেওয়া একটু কঠিন। তারপরও ৩২ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা। তার অক্সিজেনসহ বিভিন্ন ধরনের ওষুধ চলছিল। এতে সাধারণত বাচ্চাকে বাঁচানো সম্ভব হয় না। তারপরও চেষ্টা চালানো হয়েছিল। কিন্তু বাচ্চা ও মাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ