• বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২৯ অপরাহ্ন
  • English English French French German German
ব্রেকিং নিউজ
কুড়িগ্রামের রাস্তায় ছুটে চলেছে আইপিডিসি ‘ভালো বাসা’র গাড়ি গাইবান্ধার রাস্তায় ছুটে চলেছে আইপিডিসি ‘ভালো বাসা’র গাড়ি শিশুদের নিরাপদ যত্ন নিশ্চিতে প্যারাসুট জাস্ট ফর বেবি ও নাবিলা’র আহ্বান বাংলাদেশের বাজারে টেকনো’র নতুন চমক স্পার্ক ৮ প্রো দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে মাসুদ আলম সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মওদুদ নির্বাচিত ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি সীমান্তে ৮ মাসে প্রায় ৬ কোটি টাকার মাদকসহ বিভিন্ন মালামাল আটক প্যারাসুট নারিকেল তেল-এর নতুন উৎসব প্যাক বাংলাদেশে ৩ জিবি’র স্পার্ক সেভেন স্মার্টফোন নিয়ে এলো টেকনো টেকনো ক্যামন ১৭ সিরিজ এখন দেশের সকল আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে বাজারে নিজেদের অবস্থানের সাথে মিল রেখে টেকনো’র নতুন স্লোগান – “স্টপ অ্যাট নাথিং”

হিউম্যান ক্লিনিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিক লাঞ্চিত

Reporter Name / ৩৯ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : শনিবার, ২৬ জুন, ২০২১

জেলা প্রতিনিধি,পঞ্চগড়ঃ

ক্লিনিকের এক আয়াকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে এমন অভিয়োগের ভিত্তিতে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে নাজমুস সাকিব মুন নামের এক সাংবাদিককে লাঞ্চিত করার অভিযোগ উঠেছে ওই ক্লিনিকের মালিকপক্ষের একজন ডা. আনোয়ার উল করিম এর জামাতা মোমিনের বিরুদ্ধে।

পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জে হিউম্যান ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনাটি ঘটে।

জানা যায়, শুক্রবার (২৫ জুন) রাত পৌনে এগারটায় মুঠোফোনে ক্লিনিকের এক আয়াকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছে এমন অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সাম্প্রতিক দেশকাল ও সময়ের কণ্ঠস্বরের পঞ্চগড় প্রতিনিধি নাজমুস সাকিব মুন।

ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর ভিকটিমের সাথে কথা বলতে চান সাংবাদিক নাজমুস সাকিব মুন। আর এতেই রাগান্বিত হয়ে উঠেন ডা. আনোয়ার উল করিম আনুর জামাতা মোমিন। এসময় সাংবাদিক মুনকে তথ্য সংগ্রহে বাধা প্রদান করেন। রাগান্বিত হয়ে এক পর্যায়ে মার দেওয়ার হুমকি দিয়ে বলেন এইখানে আসছিস কেন মাইর খাবি? তাড়াতাড়ি চলে যা। মুনকে এখানে আসতে কে খবর দিয়েছে বলেও চিৎকার করতে থাকেন।

দুই জনের মধ্যে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে মোমিন সাংবাদিক মুনকে মারতে তেড়ে আসেন। এই সময় উপস্থিত লোকজন তাকে বাধা প্রদান করেন।

পরে ভিকটিমের সাথে কথা হলে তিনি শ্লীলতাহানির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি ক্লিনিকের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে এখানে চাকরি করছি। হুট করে কোন কারণ ছাড়াই আমাকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত নেন কর্তৃপক্ষ। চাকরিচ্যুতের বিষয় নিয়ে রাত এগারটায় কেন আলোচনা করছেন প্রশ্ন করা হলে তিনি এড়িয়ে যান।

এর আগেও ক্লিনিকের মালিকপক্ষের একজন রতন তাকে চাকরিচ্যুত করতে চেয়েছিলেন বলে জানান তিনি। তবে সেই সময় ডা. আনু তাকে চাকরিতে বহাল রাখার নির্দেশ দেন।

তবে প্রতিবেদককে এটা নিয়ে না লেখার অনুরোধ জানান তিনি। এটা নিয়ে লেখালেখি হলে তার চাকরি থাকবে না বলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি।

এই বিষয়ে ডা. আনোয়ার উল করিমের সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে রাজি হন নি।

এ বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করে সাংবাদিক মুন বলেন, তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে এমন বাধা আর হুমকির সম্মুখিন হতে হবে ভাবিনি। তথ্য সংগ্রহ আর যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশই আমার কাজ। তথ্য প্রাপ্তিতে সহযোগিতার পরিবর্তে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ যেভাবে আমাকে হুমকি দিয়েছেন তা স্বাধীন সাংবাদিকতার গলা চেপে ধরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ