• রবিবার, ২৮ নভেম্বর ২০২১, ০৩:১৭ অপরাহ্ন
  • English English French French German German
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশের বাজারে টেকনো’র নতুন চমক স্পার্ক ৮ প্রো দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড কর্মচারী ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে মাসুদ আলম সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে মওদুদ নির্বাচিত ফুলবাড়ী ২৯ বিজিবি সীমান্তে ৮ মাসে প্রায় ৬ কোটি টাকার মাদকসহ বিভিন্ন মালামাল আটক প্যারাসুট নারিকেল তেল-এর নতুন উৎসব প্যাক বাংলাদেশে ৩ জিবি’র স্পার্ক সেভেন স্মার্টফোন নিয়ে এলো টেকনো টেকনো ক্যামন ১৭ সিরিজ এখন দেশের সকল আউটলেটে পাওয়া যাচ্ছে বাজারে নিজেদের অবস্থানের সাথে মিল রেখে টেকনো’র নতুন স্লোগান – “স্টপ অ্যাট নাথিং” দিনাজপুরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ভবনের লিফট ও জেলা লিগ্যাল এইড অফিসে মাতৃদুগ্ধ পান কেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন। এন.ডি.এফ এর কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ ও নির্বাহী অফিসার বরাবর স্মারক লিপি প্রদান। দিনাজপুর পৌরসভার রাস্তাঘাট সংস্কার ও যানজট নিরসনের দাবীতে মানববন্ধন

সুলতানপুর বাড়াই পাড়া ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠটি প্রায় বিলুপ্তির পথে

Reporter Name / ৩৮ বার এই সংবাদটি পড়া হয়েছে
প্রকাশ : বুধবার, ২৩ জুন, ২০২১

নিজস্ব প্রতিনিধি

গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের সুলতানপুর বাড়াই পাড়া মচ্ছ নদীর তীরে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠ। মচ্ছ নদী ভাঙ্গনের ফলে ঈদগাহ্ মাঠটি প্রায় বিলুপ্তির পথে। ১০ (দশ) বছর পূর্বে ঈদগাহ্ মাঠটি ০২ (দুই) একর জমি নিয়ে অবস্থিত ছিল।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মচ্ছ নদী ভাঙ্গনের ফলে জমির পরিমান দাঁড়িয়েছে মাত্র ০১ (এক) একরে। যে হারে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে এতে আগামী ১ বছরে মাঠটি বিলিন হয়ে যাবে।

পূর্বে ঈদগাহ্ মাঠটিতে ১০ টি গ্রামের প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার মুসল্লি একসাথে জামাতের সহিত নামাজ আদায় করতো। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে ও নদী ভাঙ্গনের কারনে স্বল্প জমিতে এতো মুসল্লি নিয়ে নামাজ আদায় অসম্ভব হয়ে পরেছে।
এলাকাবাসীর ধারণা নদী ভাঙ্গন রোধ করতে প্রায় ১৫ লক্ষাধিক টাকার প্রয়োজন। প্রত্যান্ত পল্লী ১নং কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের ৯৫ শতাংশ গরীব, অসহায় খেটে খাওয়া মানুষ। নিজেদের সংসার চালাতে তারা হিমশিম খায়। এর পরেও নদী ভাঙ্গন রোধ করতে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা দিয়ে কাজটি শুরু করেছে। এলাকাবাসীর পক্ষে এতো বড় কাজটি সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। ইতিপূর্বে ঈদগাহ্ মাঠটিতে সরকারি তহবিল থেকে কোনো অনুদান পায়নি বলে জানান মাঠ কর্তৃপক্ষ।

ঐতিহ্যবাহী কেন্দ্রীয় ঈদগাহ্ মাঠটি নদী ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার্থে ১০ টি গ্রামের জনগণ স্থানীয় সংসদ সদস্যের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ